ডেস্ক : উথুরা ইউনিয়নে শীত মৌসুম শুরুর আগেই আগাম জাতের লাউ চাষ শুরু হয়েছে। এখন উথুরার হাটবাজারে পাওয়া যাচ্ছে নয়ন জুড়ানো কুচ কুচে গাঢ় সবুজ রঙের লাউ।লাউচাষিরা ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি। লাভের সম্ভাবনা বেশি দেখে এলাকার কৃষক ছাড়াও বেকার যুবকরাও এখন লাউচাষে উৎসাহিত হচ্ছেন । ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের এবার আগাম জাতের লাউ চাষ হয়েছে। বিশেষ করে হাতীবেড় , ধলিকুড়ি, চামিয়াদী, কৈয়াদি , বনগাঁও, মেনজেনা , তালুটিয়া , মর্চী গ্রামে এবার ব্যাপকহারে লাউ চাষ হয়েছে । উথুরাতে অনেক আগে ই বাণিজ্যিকভাবে লাউ চাষ হয়ে আসছে , তবে কেবল চাষির মাচাতে শুধু লাউ চাষ হচ্ছে না বাড়ির উঠানে মহিলাদের তত্ত্বাবধানে লাউচাষ হচ্ছে, আজ মাঠপর্যায়ে বাণিজ্যিকভাবে লাউয়ের চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এলাকার অনেক কৃষক। ইতিমধ্যে কোনো কোনো চাষি তাদের উৎপাদিত আগাম শীত লাউ বাজারজাত করে বেশ লাভবান হচ্ছেন।এলাকার বাজারগুলোতে এখন ওইসব প্রথম পর্যায়ের লাউ সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ওই লাউ খেতে মজাদার হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জায়গাতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।হাতিবেড় এলাকার লাউচাষি , মোঃ আঃ আল মামুন (১৭), মোঃ আকরাম হোসেন (১৯) ও মোঃ খুরশেদ আলম (২৮) এবার ৩ একর জমিতে লাউ চাষ করে তিনি লাভের মুখ দেখার আশা করছেন। প্রাকৃতিক আবহাওয়া ভাল থাকায় লাউ চাষে ফলনও বেশ ভাল দেখতে পাওয়া যাবে মাচায় । এখন প্রথম পর্যায়ে হওয়ায় উৎপাদিত লাউ বিক্রি করে তেমন দাম পাচ্ছি না তবে দাম বাড়লে খরচ বাদে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা আছে । শীত আসলে কিছুটা দাম কমতে পারে তবে চাষিদের লাউ চাষে ক্ষতি হবে না। বরং তারা লাউয়ের চাষ বানিজ্য ভিত্তিতে উৎপাদন করছেন । এবার পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ৪০০ একর এর বেশি জমিতে লাউয়ের মাচায় লাউ চাষ হবে যার লক্ষ মাত্রা অন্যান্য বছরের তুলনায় তুলনা মুলকভাবে কম ।
বিশেষ জরিপে দেখা গেছে যে এখানে উৎপাদিত লাউ চাষি বেশির ভাগ ই প্রশিক্ষিত না । তবে এসব লাউ চাষিদের প্রশিক্ষিত করালে লাউয়ের প্রাথমিক উৎপাদন বহু গুণে বেড়ে যাবে বলে মনে করন বিশিষ্ট জনেরা । মাঠ পর্যায়ে নেই কৃষি সম্প্রসারণ অদি দপ্তরের লোকজন । তবে বেসরকারি ভাবে এগিয়ে এসেছে দুই একটি প্রতিষ্ঠান । তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় কিছুটা হলেও কৃষক প্রশিক্ষিত হচ্ছে ।
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)



0 comments:
Post a Comment